স্বামীর পরকীয়ার জেরে খুন করে শিউলী-র্যাবের ব্রিফিং

শহর প্রতিনিধি-
ফেনী শহরের নাজির রোডে আলোচিত খুনের ঘটনাটি ঘটে স্বামীর পরকীয়া নিয়ে। ঘটনার দিন রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে এ নিয়ে তুমুল ঝগড়ার এক পর্যায়ে শিউলীকে মৌখিক ভাবে তালাক দেয় স্বামী সোহেল। ক্ষিপ্ত হয়ে বটি দিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে তাকে খুন করে দুই সন্তান নিয়ে গভীর রাতে পালিয়ে যায় শিউলী।

শনিবার চৌদ্দগ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতারের পর আজ রবিবার সকালে প্রেস ব্রিফিংয়ে ফেনীস্থ র্যাব-৭ এর কোম্পানী অধিনায়ক স্কোয়াড্রন লীডার আবদুল্লাহ আল জাবের ইমরান এ তথ্য জানান।
ব্রিফিং কালে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, গত ১৬ জুলাই সোহেল দেশে আসে। এরপর থেকে তার স্ত্রীর সাথে পরকিয়া সম্পর্ক নিয়ে প্রায়ই কথাকাটাকাটি হয়। অতঃপর বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে সোহেল মৌখিকভাবে শিউলীকে তালাক দেয়। একপর্যায়ে সোহেল খাটে বসা থাকা অবস্থায় শিউলী পিছন দিক থেকে বটি দিয়ে কুপিয়ে গলা কেটে খুন করে।
ফেনীস্থ র্যাব-৭ এর কোম্পানী অধিনায়ক স্কোয়াড্রন লীডার আবদুল্লাহ আল জাবের ইমরান আরও জানান, ঘটনার পর রাতেই দুই শিশু সন্তানকে নিয়ে ট্রেনে করে চট্টগ্রাম পালিয়ে যায় শিউলী। দিনভর ফটিকছড়িতে অবস্থানের পর ঐ দিন রাতে বেলায় কুমিল্লায় চাচার বাসায় আত্মগোপন করে। খবর পেয়ে র্যাবের একটি দল গতকাল সন্ধ্যা ৬টার দিকে চৌদ্দগ্রাম এলাকায় তার চাচার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে ফেনী ক্যাম্পে নিয়ে আসে।

তার দেয়া তথ্যমতে, হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্রটি নাজির রোডের চৌধুরী সুলতানা ভবন সংলগ্ন কচুরিপানার ডোবা থেকে উদ্ধার করা হয়। শিউলীকে কিছুক্ষণ আগে ফেনী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সে চৌদ্দগ্রাম থানার খাজুরিয়া গ্রামের আবদুল মজিদের মেয়ে। সোহেল একই উপজেলার গুনবতী ইউনিয়নের খাটরা গ্রামের আবুল কালামের ছেলে।




