সিরিজ বোমা হামলার প্রতিবাদে ফেনীতে আ’লীগের আলোচনা –

আজ মঙ্গলবার সকালে জেলা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে ফেনী পৌরসভার লিবার্টি সুপার মার্কেটের অস্থায়ী কার্যলয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা সভাপতি পিপি হাফেজ আহম্মদ।
দপ্তর সম্পাদক এ.কে শহীদ উল্লাহ খোন্দকারের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাষ্টার আলী হায়দার, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আবদুল করিম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক জহিরুল আলম, আইন সম্পাদক এম. শাহজাহান সাজু, সদস্য আক্তারুল আলম, পৌর সভাপতি আয়নুল কবির শামীম, সদর উপজেলা সভাপতি করিম উল্লাহ বি.কম, জেলা যুবলীগ সভাপতি দিদারুল কবির রতন, স্বেচ্ছাসেবকক লীগের আহবায়ক জিয়াউল হক, ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক জাবেদ হায়দার।
সভায় বক্তারা বলেন, ২০০৫ সালে সিরিজ বোমা হামলা বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। দেশকে জঙ্গি রাষ্ট্র বানাতে ৬৩ জেলায় একযোগে এ হামলা চালায় বিএনপি-জামায়াত সরকারের মদদপুষ্ট জঙ্গিরা। তারেক জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি-জামাতের পৃষ্ঠপোষকতায় দেশে জঙ্গিবাদের উত্থান হয়। শেখ হাসিনার সুদক্ষ নেতৃত্বে কঠোরভাবে দদমন করেছেন। দেশের মানুষ এখন ভালো আছেন। বিএনপি-জামায়াতের এই জঙ্গিবাদকে চিরদিনের জন্য মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছে।

উল্লেখ্য যে ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট বেলা প্রায় ১১টায় ঢাকা সহ দেশের ৩০০টি স্থানে ৫০০ বোমা হামলা করা হয়। আধ ঘণ্টার ব্যবধানে চালানো এ সিরিজ বোমা হামলায় দু’জন নিহত ও দুই শতাধিক মানুষ আহত হন। ৬৪ জেলার মধ্যে মুন্সিগঞ্জ জেলা বাদে অবশিষ্ট ৬৩টি জেলায় এই হামলা করা হয়। হাইকোর্ট, সুপ্রিমকোর্ট, জেলা আদালত, বিমানবন্দর, মার্কিন দূতাবাস, জেলা প্রশাসক, জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়, প্রেসক্লাব ও সরকারি-আধা-সরকারি স্থাপনায় বোমা হামলা চালায় জঙ্গিরা। হামলার জায়গাগুলোতে জেএমবির জঙ্গিরা লিফলেট ছড়িয়ে দেয়।
জেএমবির সিরিজ বোমা হামলার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় ১শ ৬১টি মামলা হয়। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত বিচার কাজ শেষ হয়েছে ১শ ০২টি মামলার। নিষ্পত্তিকৃত মামলাগুলোয় শীর্ষ জঙ্গি নেতা শায়খ আবদুর রহমান ও সিদ্দিকুল ইসলাম বাংলা ভাইসহ ৩৫ জঙ্গিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয় ১৩১ জনকে। বিভিন্ন মেয়াদে আরও ১৮৪ জনকে সাজা দেওয়া হয়। খালাস পান ১১৮ জন।




